সহিংসতা বন্ধ করে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে হবে আর তা করতে হবে সমান্তরালভাবে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ড. এটিএম শামসুল হুদা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশে চলমান অবস্থাকে ‘রাজনৈতিক সংকট’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, সহিংসতা কোনো আন্দোলনের পথ নয়, সহিংসতা বন্ধ করে আলোচনা বা সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তা করতে হবে সমান্তরালভাবে।
শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রীতি ও সংলাপের কোনো বিকল্প নেই— উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা বলে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই, বর্তমান অচলবস্থার নিরসনের পন্থা তাদেরকেই বের করতে হবে।
শামসুল হুদা বলেন, আমরা সংবিধানের মূলনীতির প্রতি বিশ্বাস ও কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের এ উদ্যোগ, নাগরিকদের পক্ষে। প্রথমে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের নেতারা থাকলেও এবার তাদের রাখা হয়নি নিরপেক্ষতার স্বার্থে।
তিনি আরো জানান, রাজনীতিবিদরা মুখে অনেক কথাই বলেন। তবে কাজ করেন ভিন্ন রকম।অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি বা দুই নেত্রী বা দলের নেতাদের সঙ্গে তারা কোনো রকম দুতয়ালি বৈঠক করবেন না।
শংকা প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনে আর বলা হয়, সমস্যার সমাধান না হলে, বিকল্প নেতিবাচক শক্তির উত্থান ঘটতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে উদ্বিগ্ন নাগরিকদের পক্ষে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ৫ উপদেষ্টাসহ মোট ১৩ সদস্যের একটি কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। যদিও কমিটিভুক্ত মাত্র ৫ জন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগেও গোলটেবিল আলোচনায় সংলাপের প্রস্তাব গ্রহণ করে এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বরাবর চিঠি পাঠায় নাগরিক সমাজ।