বিএনপি- জামাতের কর্মকাণ্ডকে সন্ত্রাসী, জঙ্গি কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বজন হারানো বেদনা আমি জানি, সেই কষ্ট নেই আমি বেঁচে আছি, কাজেই যখন কেউ হারায় নিজের কষ্ট বেশি মনে হয় এরকমটার জন্যই এদের বাঁচতে হবে। আমি সকলেইর কাছে এ আহ্বান করবো অত্যন্ত বিএনপি নেত্রীকে তাকে বলেন যে মানুষ খুন করা বা মানুষের লাশ নিয়ে রাজনীতি করা বন্ধ করুন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসের আস্তানা হবে না—তারজন্য দেশবাসীকে আমি আহ্বান জানাচ্ছি এ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে, অনেক সাধারণ মানুষ যারা বোমা মেরেছে তাদের ধরিয়ে দিয়েছে –দেশের মানুষকে ওইভাবে সচেতন হয়ে দাঁড়াতে হবে।’
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় যাদুঘরে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগ আয়োজিত বিএনপি জামাতের বর্বোরচিত তাণ্ডবের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপি-জামাতের তাণ্ডবের তথ্যচিত্র দেখে আবেগপ্লুত হয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী হতাহতদের প্রতি সহানুভুতি প্রকাশ করেন।
সেই সঙ্গে এসব তাণ্ডবকারীদের বাংলাদেশে ঠাঁই হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এ শোকের কোনো সান্তনা নেই। নিজের চোখের সামনে স্বামী-সন্তানকে পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়ে মারা যেতে দেখেছেন। আর যেন কোন মাকে এমন বীভৎস দৃশ্য না দেখতে হয় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান ভুক্তভোগীরা।
জাতীয় জাদুঘরে গত ৪১ দিনে দেশব্যাপী নাশকতার চিত্র নিয়ে প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায়, দেশের এই ভয়াবহ চিত্র দেখে স্তব্দ, হতবাক উপস্থিত সকলে। নাশকতার আগুনে পোড়া মানুষগুলোর যন্ত্রণায় কাঁদলেন প্রধামন্ত্রীও।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিশ দলীয় জোটের ডাকে হরতাল অবরোধে নাশকতায় গত ৪০ দিনে ৮৯ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ৫৫ জনই পেট্রোল বোমায় আগুনে পুড়ে মারা যান।