বিএনপি-জামাতের দুর্বৃত্তায়ন থেকে দেশকে রক্ষা করতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পিতবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
দেশ যখন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি-জামাত দেশ ধ্বংসের খেলায় মেতেছে—এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাদের এ নাশকতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান।
পদকপ্রাপ্ত ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র মুক্ত দেশ গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই, তাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ যখন শিক্ষা, গবেষণা, খেলাধূলায় এগিয়ে যাচ্ছে তখন হরতাল অবরোধ দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারছে বিএনপি-জামাত।
বালাদেশ এখন বিশ্বের মধ্যে একটি রোল মডেল উল্লেখ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন কোনো দিক থেকে পিছিয়ে নেই।
আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এবারও ভাষায়, সমাজসেবা, শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৫ গুণীজনকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
এসব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক পেয়েছেন সমাজের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। জমকালো এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে ও মরণোত্তর পদক প্রাপ্তদের স্বজনদের হাতে একুশে পদক ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন।
এ বছর ভাষা আন্দোলনে পিয়ারু সরদার, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা ও মুহাম্মদ নূরুল হুদা, শিক্ষায় অধ্যাপক ডা. এমএ মান্নান ও সনৎ কুমার সাহা, গবেষণায় আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়া, সমাজসেবায় ঝর্ণা ধারা চৌধুরী,
শ্রীমৎ সত্যপ্রিয় মাহাথের ও অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী, সাংবাদিকতায় কামাল লোহানী, গণমাধ্যমে ফরিদুর রেজা সাগর আর শিল্পকলায় আবদুর রহমান বয়াতি, আবুল হায়াত ও এটিএম শামসুজ্জামানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।