আবারো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জঙ্গিবাদের নেত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনরোষ থেকে বাঁচতে কারাগারকেই এখন নিরাপদ স্থান মনে করেছেন। বুধবার সংসদে এক প্রশ্ন-উত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
দেশে একজন জঙ্গি নেত্রীর উত্থান ঘটেছে— যিনি সংবিধান ও আইন-আদালত মানে না এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। আমারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
খুনের দায়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে সরকার বলেও জানান শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী দুই মাস ধরে দেশে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব নিয়ন্ত্রণে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে খালেদা জিয়া এখন নিজেকে বাঁচাতে কারাগারে যেতে চাচ্ছেন।
এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডে থাকতে চান বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডে দেশের কেন্দ্রীয় কারাগার।
জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বাবলুর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া জনরোষের ভয়ে কার্যালয় থেকে বের হচ্ছেন না। তিনি আইন মানেন না, আদালত মানেন না, শৃঙ্খলা মানেন না। তিনি আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের উন্নয়নযাত্রাকে ব্যাহত করতে খালেদা জিয়া নাশকতা চালাচ্ছেন। উনি নিজেই গ্রেপ্তার হতে চান। উনি নাজিমউদ্দিন রোডে থাকতে চান।’
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক মহলে সহানুভুতি পেতে খালেদা জিয়া নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। তবে নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মারার দায়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ সময় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিপরিকল্পনা, হরতাল-অবরোধে গার্মেন্টস শিল্পে ক্ষতিসহ নানা বিষয়ে সংসদ সদস্যদের করা প্রশ্নের জবাব দেন শেখ হাসিনা।
তিনি আরো বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহকে বিভাগ করার কার্যক্রম চলছে। এছাড়া বৃহত্তর ফরিদপুর ও বৃহত্তর কুমিল্লাকে আলাদা বিভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।