বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা- ডিবি ও যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-এফবিআই যৌথভাবে তদন্ত করলে লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়ের খুনিরা ধরা পড়বে বলে মনে করেন নিহতের বাবা শিক্ষাবিদ অজয় রায়।
এ হত্যাকাণ্ডকে পূর্ব পরিকল্পিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আর তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে মদদ দিয়েছে জামাত-শিবির।
এদিকে বুধবার দুপুরে অভিজিতের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।
কয়েক বছর ধরেই উগ্রপন্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞান লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়কে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করায় এসব হুমকির ব্যাপারে রমনা থানাকে অবহিত করেন বাবা অধ্যাপক অজয় রায়।
সবশেষ গত ৯ ফেব্রুয়ারি দেশে আসার কথা জানালে পরিবারের সদস্যরা অভিজিৎকে দেশে আসতে নিষেধও করেন। রমনা থানাকেও জানানো হয় তার দেশে আসার কথা। কিন্তু অভিজিতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতকে। গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা। খুনিরা পালিয়ে যায় সবার চোখের সামনে অথচ পুরো এলাকায় ছিল তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
অভিজিতের বাবা মনে করেন, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে আর এ কাজে মদদ দিয়েছে জামাত-শিবির।
বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-এফবিআই যৌথভাবে এ হত্যা মামলার তদন্ত করলে অভিজিতের খুনিরা ধরা পড়বে বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।