নারায়ণগঞ্জের মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কাজ দুই বছরও শেষ হয়নি। এ হত্যাকাণ্ডে ওসমান পরিবারের লোকেরাই জড়িত বলে অভিযোগ ত্বকী পরিবারের।
এমনকি ওসমান পরিবারের বাধার কারণেই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের। তবে সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের দাবি, নারী ঘটিত কারণে ত্বকী হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
এদিকে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি র্যাপিয অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
এতদিনেও মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ার পেছনে ওসমান পরিবারেরই হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করলেন ত্বকীর বাবা।
ত্বকী হত্যাকাণ্ডের জন্য ওসমান পরিবারের লোকেরাই জড়িত বলে অভিযোগ, ত্বকী মঞ্চের নেতা ও মানবাধিকার কর্মীদের।
তবে মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ওসমান পরিবারকে জড়ানোর ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেন শামীম ওসমান।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হয় নারায়ণগঞ্জের কালির বাজার এলাকার ছেলে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। ৮ মার্চ শীতলক্ষ্ম্যা নদীর কুমুদিনী এলাকায় পাওয়া যায় তার মরদেহ। এ ঘটনার পরই সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নাসিম ওসমান ও তাদের পরিবারকে দায়ি করে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি।
পুলিশ তদন্তে দেরি করলে বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে র্যা বের কাছে মামলাটি হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে লিটন ও ভ্রমর নামে দুই জন হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছে।
দ্রুতই ত্বকী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন র্যা ব কর্মকর্তারা।