বাংলাদেশি গোয়েন্দাদের ব্যর্থতার কারণে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার কারণেই অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ড এফবিআই তদন্তকাজে সহায়তা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের গুলিতে আহত এবং নিহতের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো রাজনীতিবিদকে পুলিশ গুলি করেনি। যারা আহত কিংবা নিহত হয়েছেন তারা সন্ত্রাসী।
২০ দলীয় জোটের জনসম্পৃক্ততাহীন আন্দোলন বেশি দিন স্থায়ী হবে না—উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, খুব শীঘ্রই এ অবস্থার অবসান হবে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের রহস্যও খুব শীঘ্রই উন্মোচিত হবে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।
এদিকে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে টিএসসি মোড়ে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়কে। হামলায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা। দুজনই মার্কিন নাগরিক হওয়ায়, এ হত্যার তদন্তে সহায়তা দিতে এফবিআইয়ের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল ঢাকায়। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেছেন তারা।
এফবিআই সদস্যরা সকালে ডিবি কার্যালয়ে অভিজিতের বাবা শিক্ষাবিদ অজয় রায়ের সঙ্গেও কথা বলেন।
এ সময় অভিজিতের বাবা ড. অজয় রায় বলেন, শুধু হুমকিদাতা নয়, প্রকৃত হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে।
অভিজিৎকে হত্যার হুমকিদাতা শাফিউর রহমান ফারাবীকে শুধু নয়, প্রকৃত খুনিদেরও ধরতে গোয়েন্দা পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান অজয় রায়।
এছাড়া এফবিআই সদস্যদের স্বাধীনভাবে তদন্তের সুযোগ দেয়ার জন্যও তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।