বর্তমান সরকারকে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা থেকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে সুশীল সমাজের বেশ কয়েকজন সদস্যও জড়িত—পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয়ে দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত স্বাক্ষাতকারে সংস্থাটির মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
গোয়েন্দারা সুশিল সমাজের ওই সব প্রতিনিধিদের কড়া নজরদারিতে রেখেছে বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মান্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ফোনালাপের সুত্র ধরে আরো কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। প্রয়োজন হলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। সেগুলোকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে, শিগগিরই টিএফআই সেলে মান্নাকে জিজ্ঞাসাবাদে করা হবে।
এদিকে, মামলার তদন্তের স্বার্থে মান্নাকে বুধবার টিএফআই সেলে জিজ্ঞাসাবাদের কথা ছিল। তবে মঙ্গলবার রাতে মান্না অসুস্থ বোধ করায় তাকে ঢাকা মেডিকেলের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে সামিয়ক বিশ্রামের পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার ফোনালাপে গণমাধ্যমে সম্প্রচারের পর সারাদেশে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। পরে সরকার উৎখাতে সশস্ত্র বাহিনীকে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে গ্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা আরেকটি মামলায় মান্নাকে আরো ১০ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মান্না স্বীকার করে, শুধু অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা নয়, সুশীল সমাজের বেশ কয়েকজন সদস্যের সঙ্গেও এ বিষয়ে টেলিফোনে কথা হয়েছে।