যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুততার সঙ্গে শেষ করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে জাতি উদযাপন করছে স্বাধীনতা দিবস। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, পেশাজীবীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের অগণিত মানুষ মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার করেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার।
বৃহস্পতিবার সকলের কন্ঠে ছিল, হানাহানি আর কর্মসূচি-পাল্টা কর্মসূচির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান।
একাত্তরের ২৬ মার্চের সূর্য আর আজকের দিনের সূর্যের পার্থক্য, স্বাধীনতার নেশায় যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়া, আর তা ধরে রাখার প্রত্যয়ের। ভোরের রক্তিম সূর্যকে স্বাগত জানিয়ে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা।
বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের জনস্রোতের যেন একটিই লক্ষ্য- যাদের রক্তে স্নাত প্রিয়তম পতাকা, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা।
এ দীর্ঘ ৪৪ বছরে কী স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? বাস্তবায়িত হয়েছে কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা? প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসেবও মেলাতে চেয়েছেন কেউ কেউ।
তাদের কণ্ঠে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়। অভিভাবকের হাত ধরে শিশুরাও এসেছে জাতির গৌরবময় ইতিহাসকে জানতে।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা, সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে রাজনীতিবিদরা যেন সাম্যের বাংলাদেশ গড়ায় এগিয়ে আসেন।