স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাস সংরক্ষণে উন্মুক্ত হলো স্বাধীনতা জাদুঘর। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত এই জাদুঘর স্বাধীনতা দিবসে সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাধীনতা জাদুঘর সংলগ্ন এলাকায় চলছে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যা ১৯৭১’ শীর্ষক সপ্তাহব্যাপী চিত্রপ্রদর্শনী।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন সংলগ্ন স্বাধীনতা স্তম্ভটির পাশ দিয়ে লম্বা পথটি সোজা নিচে নেমে গেছে। ঢালু পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে দেখা যাবে মাটির নিচে বর্নিল আলোকসজ্জার মাঝে জ্বলজ্বল করছে স্বাধীনতার গৌরবোজ্জ্বল-বিজয় ইতিহাস।
দোতলা ঘরটির নিচের অংশে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যার ইতিহাস। একাত্তরের ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ছবি, ঘটনার বর্ণনা।
জাদুঘর খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষের ঢল নামে। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা আর ইতিহাস জানতে পরিবার পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে এসেছেন অনেকেই।
রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। আরও আছে মুঘল আমলসহ বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন সংগ্রামের আলোকচিত্র। ১৪৪টি প্যানেলে বাঙালি ও বাংলাদেশি জাতিসত্তার ইতিহাস আলোকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় জাদুঘরের তত্বাবধায়নে স্বাধীনতা জাদুঘর পরিচালিত হবে। রক্ষণাবেক্ষণ করবে গণপূর্ত বিভাগ।
শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রবেশমূল্য ১০ টাকা। তবে বারো বছরের কম বয়সীদের জন্য লাগবে মাত্র দুই টাকা।
এদিকে, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শিখা চিরন্তনের সামনে আয়োজন করা হয়েছে ছবি প্রদর্শনীর। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা, গণহত্যাসহ স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে প্রদর্শনীতে।