পাটজাত পণ্যের বাধ্যতামূলক ব্যবহারে বিদ্যমান আইন কার্যকরে, আগামী জুলাই থেকে প্রতিটি সরকারি কার্যালয়ে পাটজাত পণ্য ব্যবহার করা হবে। একইসঙ্গে বাজারে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে দাম কমানোর ক্ষেত্রেও সচেষ্ট হবে সরকার। এরইমধ্যে এনবিআর এর কাছে মূসক মওকুফের প্রস্তাব পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বুধবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সভা শেষে সিদ্ধান্তগুলো সংক্ষেপে জানান বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।
একসময়ের সোনালী আঁশখ্যাত পাটের গৌরবদীপ্তি আজ অনেকটাই স্তিমিত। তবে পাটের হারানো গৌরব উদ্ধারে মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশের একদল বিজ্ঞানী দেশি ও তোষা, দুই ধরনের পাটেরই জীবন রহস্য উন্মোচন করেন।
তবে পাটজাত পণ্য, বিশেষ করে ব্যাগ-বস্তা ব্যবহারে বাংলাদেশ অনেকটাই পিছিয়ে। সর্বত্রই ব্যবহৃত হচ্ছে কৃত্রিম বস্তু। এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কৃষিপণ্য মোড়কীকরণের ক্ষেত্রে পাটজাত পণ্যের বাধ্যতামূলক ব্যবহারে আইন করেছিল।
তবে পাটজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে মূসকের কারণে এসব পণ্যের দাম অনেক বেশি পড়ে।
পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো, বাধ্যতামূলক ব্যবহারে আইন কার্যকর, পণ্যের দাম কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি।
এছাড়া মূসক বাধা দূর করা, রপ্তানিতে শুল্ক-অশুল্ক বাধা দূর করার সিদ্ধান্তও জানান প্রতিমন্ত্রী।