ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতির আদান-প্রদান, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সীমান্তে অপরাধ বন্ধে আরও কঠোর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমার এ তিন দেশের প্রতিনিধিরা।
আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হওয়া দুদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, বাংলাদেশ-ভারত-চীন-মিয়ানমার নিয়ে অর্থনৈতিক করিডোরকে আরও শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছেন।
পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত-মিয়ানমারের সম্পৃক্ততা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী সিনেট ভবনে শুরু হয়েছে।
তিন দেশের গবেষক, রাজনীতিক, শিক্ষক, সমাজবিজ্ঞানী, কূটনীতিকরা সিম্পোজিয়ামে অংশ নিচ্ছেন।
রোববার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত-মিয়ানমারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অর্থনৈতিক করিডোরকে শক্তিশালী করা গেলে সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে।
ভারতীয় হাই কমিশনার পঙ্কজ শরণ আঞ্চলিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সীমান্তে অপরাধ বন্ধের ওপর জোর দেন।
তিনি আরো বলেন, জাতিগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অনেক ক্ষেত্রেই মিল রয়েছে। দিন দিন ব্যবসা ও যোগাযোগের পরিধিও বিস্তৃত হচ্ছে। তবে সীমান্তে নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি দুদেশের শক্তিশালী পদক্ষেপে সীমান্তে সন্ত্রাস কমে আসবে।
পারস্পারিক সম্পর্কোন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতে ব্যাবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমানের রাষ্ট্রদূত ইউ মেও মিন্ট থান।
দুদিনব্যাপী এ সিম্পোজিয়ামে আমন্ত্রিত অতিথি ও নির্বাচিত বিশিষ্টজনেরা তিন দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পারিক স্বার্থ, বাণিজ্য ঘাটতি সম্ভাবনা, পর্যটন সম্ভাবনা, জাতিগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র এবং সংহতিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।