নাশকতাকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে ফেনী, নাটোর ও চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলার প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও করফারেন্সে এ নির্দেশ দেন তিনি।
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসী কমর্কাণ্ড যারা করেছে, যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে এবং প্রত্যেক এলাকায় যারা অপরাধে জড়িত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব, তাদের খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে, তাদের বিচার করতে হবে।
দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্যই এ ধরনের অপরাধীদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে আন্দোলনের নামে নাশকতায় বিএনপি কেবলই ‘শক্তিক্ষয়’ করেছে এ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে দলটি আর কখনো সরকার হটানোর কথা ভাবতে পারবে না।
আন্দোলনের নামে যারা মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে— সেই অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে নির্দেশ দেন তিনি।
গত ৫ জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে বিএনপির অবরোধ-হরতালে নাশকতার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার কী অর্জন হয়েছে সেটা আমার জানা নেই। জঘন্য কর্মকাণ্ড করেছেন উনি। মানুষকে এভাবে প্রতিপক্ষ করে, মানুষকে এভাবে কোনো রাজনৈতিক নেতা খুন করতে পারে? এটা আমিও ভাবতে পারি না। কারণ আমাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জনগণের স্বার্থে।
আন্দোলনের নামে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে ‘বিএনপির শুধু শক্তিই ক্ষয় হয়েছে—বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, জনগণকে খুন করে তার কী অর্জন? উনাকে (খালেদা জিয়া) কোর্টেও যেতে হয়েছে। সারেন্ডার করতে হয়েছে। আবার ঘরেও ফিরে যেতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ কিন্তু বহাল তবিয়তেই আছে। আশা করি ভবিষ্যতে আর কোমরে এত জোর হবে না যে, আবার সরকার নামানোর কথা চিন্তা করতে পারবে।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আয়োজন শুরু হলে বিএনপির কর্মসূচি শিথিল হয়। আর খালেদা জিয়াও গত ৬ এপ্রিল আদালতে গিয়ে জামিন নিয়ে নিজের বাসায় ফিরে যান।