আগামী মাসেই চূড়ান্ত হচ্ছে জাতীয় শ্রম আইনের বিধিমালা বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ বিধিমালায় কারখানা মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের অধিকার সুরক্ষা হবে বলেও জানান তিনি।
বুধবার বিকালে নিজ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু রানা প্লাজার ধ্বস নিয়ে টিআইবি'র প্রতিবেদনের সমালোচনা করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দিতে, প্রধানমন্ত্রীর নামে বিশেষ কোন তহবিল গঠন করা হয়নি।
শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৬ সালে দেশে প্রথম পূর্নাঙ্গ শ্রম আইন করা হলেও শুরু থেকেই এ আইন শ্রমিক স্বার্থবিরোধী বলে অভিযোগ ওঠে। নানা যাচাই-বাছাই শেষে ২০১৩ সালে ‘সংশোধনী শ্রম’ আইনটি পাস হয়। বৈঠকে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ৫৫টি সুপারিশ করা হয়।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ও কারখানা মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে দু'পক্ষের স্বার্থ রক্ষা হয় এমন বিধিমালাই প্রণয়ন হবে।
এসময় মজিবুল হক বলেন, সাভারে রানা প্লাজা ধ্বস নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি সম্প্রতি যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা অনেকটাই ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।
জাতীয় শ্রম আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করতে ৭ মে কারখানা মালিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।