ঢাকাসহ সারাদেশে দ্বিতীয় দফা ভূমিকম্পন অনুভুত হয়েছে। শনিবার সকাল সোয়া ১২টার দিকে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পন অনুভূত হয়।
প্রথম দফার উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার উত্তর -পশ্চিমে নেপালে লামজাংয়ে। এর মাত্রা ছিল ৭.৯ মাত্রার। ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল এক মিনিটের বেশি সময়।
এতে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্কুল ভবনের ছাদ ধসে এক ছাত্র মারা গেছেন। বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু ভবন হেলে পড়েছে। বাসাবাড়ি থেকে আতঙ্কিত মানুষজন নেমে আসেন রাস্তায়। তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে সাভারে অর্ধশতাধিক, কুমিল্লা ইপিজেডে ৮ পোশাক শ্রমিক এবং রাজশাহী, রংপুর, নওগাঁসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কমপক্ষে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন
ভূমিকম্পের প্রভাবে রাজধানীর তেজগাঁয়ে একটি বহুতল ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। শাখারিবাজার, বঙ্গবাজার, যাত্রাবাড়িসহ বেশ কয়েক জায়গায় ভবন হেলে পড়ারও খবর পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী (প্রফেশনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট) শহিদুল হাসান জানান, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১১ মিনিট ২৭ সেকেন্ড এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার দূরে নেপালে।
রিখটার স্কেল অনুযায়ী ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলে এর তীব্রতা ছিল ৭.৫। তীব্রতা অনুযায়ী এটি শক্তিশালী ভূমিকম্প।
আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূপর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাডক ড. হুমায়ুন আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৫।
উত্তর উত্তর-পূর্ব ভারতে এর মাত্রা ছিল ৭.৪ বলে জানা গেছে।
বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরে স্থায়ী ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে।