রাজধানীসহ রোববার সারাদেশে আবারো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার স্থানীয় সময় ১টা ৯ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। শেরপুরে ভূমিকম্প আতঙ্কে একজন মারা গেছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নেপালের কোদারি এলাকার ৩১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ইউএসজিএস জানায়, উৎপত্তিস্থলে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৭।
তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পে বাংলাদেশের কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
গতকাল নেপালে বড় ধরনের ভূমিকম্পে বহু লোক হতাহতের পরদিন ফের কেঁপে উঠল বাংলাদেশ ও ভারত।
এর আগে শনিবার নেপালে ৭.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার স্থানীয় সময় ১১টা ৪১ মিনিটে নেপালে ৭.৯ মাত্রার ওই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ৮১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের প্রভাবে নেপালের পাশের দেশ ভারত ও বাংলাদেশেও ভূকম্পন অনুভূত হয়।
নেপালে ভূমিকম্পে রাজধানীর কাঠমান্ডুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক দারাহারা টাওয়ার ধসে পড়ে। এছাড়াও কাঠমান্ডু ও এর আশপাশের জেলায় আরও বেশ কিছু ভবন ধসে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি স্থানে রাস্তায় বড় আকারের ফাটল দেখা দেয়।
এখনো ধ্বংসস্তুপের নীচে আটকা পড়ে আছে অনেকে। হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে ক্রমেই। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটিতে।