বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। রোববার সকালে বুকের ব্যথা অনুভব করলে তাকে কারাগার থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর ১২টায় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিডিআর বিদ্রোহের সময় পিলখানায় সংঘটিত হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টুসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় ১৬১ জনকে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদোহের মামলায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। সেনা কর্মকর্তাদেরকে নৃশংশভাবে হত্যা, পরিবারের সদস্যকে নির্যাতন, গুম, মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টাসহ অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অভিযোগে বিডিআর বিদ্রোহের সময় পিলখানায় সংঘটিত হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
বিএনপির সাবেক সাংসদ নাসিরউদ্দিন পিন্টু এবং আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলিসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় ১৬১ জনকে। আরো ২৬২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। বেকসুর খালাস পেয়েছেন ২৭১ জন।
আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬১ জনের মধ্যে বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ সংগঠনে সহায়তার পাশাপাশি অভিযুক্তদের পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগও প্রমানিত হয়। রায়ে তাদেরকে কারাদণ্ডের বাইরে ৫ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল।
নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টুকে মৃত ঘোষণার পরপরই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়েছে।