দেশে জাতীয় আর্কাইভ, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের মতো প্রতিষ্ঠান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের দলিল সংরক্ষণে সুনির্দিষ্ট আর্কাইভ গঠনের কোনো উদ্যোগ ও চেষ্টা এখন পর্যন্ত ততোটা শক্তিশালী নয় বলে জানিয়েছেন বক্তারা।
সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এ বিষযে বিশেষজ্ঞরা।
মানবতাবিরোধী অপরাধের আর্কাইভ গঠন নিয়ে এক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন বিশিষ্টজনেরা। তবে অনেক সীমাবদ্ধতা থাকলেও এই সংকট কেটে যাবে- এমনটাই আশা তাদের।
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, অগ্নিকাণ্ড, লুটপাট, জোর করে ধর্মান্তরিত করণ, দেশত্যাগে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল।
তবে স্বাধীন দেশে সেসব অপরাধের তথ্য সংবলিত দলিল সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। দেশে জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, জাতীয় আর্কাইভ থাকলেও, ওসব দলিল সংরক্ষণে নেই যথাযথ কোন উদ্যোগ। তবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সেই উদ্যোগ নিয়েছে। জাদুঘরের নতুন ভবনে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের আর্কাইভ থাকবে।
এই উদ্যোগকে আরো শক্তিশালী করতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছে ড. হেলেন ফোর্ডকে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় আর্কাইভের সাবেক প্রধান আর সিয়েরা লিওনে মানবতাবিরোধী অপরাধের আর্কাইভ গঠনের অন্যতম সংগঠক তিনি।
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট আর্কাইভ গঠনেও তিনি পরামর্শ দেন।
আর এসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও যে কোনো উপায়েই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের অঙ্গীকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কর্তৃপক্ষের।