দেশের প্রথম কয়লাভিত্তিক মাতারবাড়ি বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে আগামী বছর। বারোশো মেগাওয়াট ক্ষমতাসমন্ন এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু করতে জেটি ও চ্যানেল নির্মাণে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্বারক সই করেছে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে নৌ সচিব শফিক আলম মেহেদী এবং বিদ্যুত বিভাগের সচিব মনোয়ার ইসলাম এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
দেশে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে এরই মধ্যে জমি অধিগ্রহণ, নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে।
প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সমুদ্রে জেটি ও ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল নির্মাণে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সরকার মালিকানাধীন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড উদ্যোগে এ প্রকল্পে ৬০০ মেগাওয়াট করে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
সমুদ্রের সারফেস ওয়াটার ব্যবহার করে আলট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ হবে। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা সহায়তা দেবে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা বলে জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
পরিকল্পনা অনুযায়ী মাতারবাড়িতে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, সমুদ্র বন্দর এবং জেটি নির্মাণের নকসা প্রণয়নসহ সার্বিক কাজ তদারকি করবে পাঁচ প্রতিষ্ঠান। ২০১৬ সাল থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০১৯ সালের মধ্যে সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এবং ২০২২ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।