বহরমপুর-ভেড়ামারা সঞ্চালন লাইন দিয়ে ভারত থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। আর চলতি বছরের শেষেই ত্রিপুরার পালাটানা থেকে আসছে আরো ১০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ৯ম সভা শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন ভারতের বিদ্যুৎ সচিব পি.কে সিনহা ও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম।
এদিকে, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করায় রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে সুন্দরবনের কোন ধরণের ক্ষতি হবেনা বলে আবারো নিশ্চিৎ করেছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম।
বহরমপুর-ভেড়ামারা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন দিয়ে বর্তমানে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির কথা থাকলেও গড়ে ৪৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ। চলমান এ ঘাটতি পূরনে ভারতের পাওয়ার মার্কেট থেকে এ সঞ্চালন লাইন দিয়ে আরো ৩০-৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আনা হবে।
একই সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বাড়িয়ে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানীর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, ২০১৭ সালের মধ্যেই তা আনা সম্ভব হবে। আর চলতি বছরেই ত্রিপুরা থেকে আসছে আরো ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ৯ম সভায় চলমান এসব প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা শেষে এসব তথ্য জানান দুই দেশের সচিবরা।
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন ভারতের বিদ্যুৎ সচিব পি.কে সিনহা। এসময় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করায় রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোন প্রভাব পড়বেনা সুন্দরবনে।
এদিকে, ভারতের বিদ্যুৎ সচিব পি.কে সিনহা বলেন, তারা বিদ্যুৎ খাতে দুইদেশের যৌথ বিনিয়োগের জন্য ব্যক্তিখাতকে আরো বেশি উৎসাহিত করতে চান।