মানবপাচার বন্ধে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের ২০৫ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা সুরক্ষিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পাচারকারী চক্র ধরতে আইনশৃংখলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে— উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের কেউ ছাড় পাবে না। বিভিন্ন দেশে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা হবে।
তিনি আরো বলেন, মানবপাচারকারীদের ধরতে সরকার এবার আঁটঘাট বেঁধেই নেমেছে।
গত কয়েকদিনে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ায় উদ্ধার হওয়া অবৈধ অভিবাসীদের বেশিরভাগই মিয়ানমারের নাগরিক বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ পর্যন্ত যেসব বাংলাদেশি নাগরিক শনাক্ত হয়েছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
এদিকে, দেশের স্থলসীমান্ত পথ সুরক্ষিত থাকলেও বিশাল সমুদ্রপথ একেবারেই অরক্ষিত। একটি বেসরকারি সংস্থার গবেষণার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের আড়াইশ দালাল মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত।
বাংলাদেশের ৬১টি পয়েন্ট দিয়ে বছরে গড়ে এক থেকে দেড়লাখ মানুষকে সমুদ্রপথে পাচার করে এ চক্র। শুধু গত এক বছরের হিসাবে পাচারের সময় ৫৪০ জন গভীর সমুদ্রে মারা যায়।
গত ১৫ দিনে মানপাচারের ভয়াবহ চিত্র সামনে আসায় সরকারের তৎপরতা বেড়ে যায়।