পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করায় কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায়নি বলে মনে করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ যুগ্ম কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন। মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ডিজিটাল টাইমার সিগন্যালিং সিস্টেম চালুর পর গত কয়েকদিন রাজধানীতে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল তা থেকে শিক্ষা নিয়ে, পরবর্তীতে নতুন কোনো পদ্ধতি চালু করা হবে বলেও জানিয়েছেন দায়িত্বশীলরা।
তবে অনেকে মনে করেন, যানজট নিরসনে ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলোর ব্যর্থতার জন্য রাজধানীর সিগন্যালিং ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সিটি করপোরেশনের ট্রাফিক বিভাগ আর ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়হীনতাই মূলত দায়ী।
যানজট নিরসনে ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলোর ব্যর্থতার পেছনে, রাজধানীর সিগন্যালিং ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সিটি করপোরেশনের ট্রাফিক বিভাগ আর ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেন অনেকেই।
তবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমেই কাজ করছে দুটি বিভাগ।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যানজটের কারণে রাজধানীর মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্টের আর্থিক মূল্য বছরে ১১ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা। যানজট নিরসনে বিভিন্ন সময়ে নেয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। যার মধ্যে ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ট্রাফিক সংকেত বাতি স্থাপন করা হয়।
আর ২০১৪ সালের মার্চমাস নাগাদ আরো ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয় টাইমার কাউন্টডাউন।
তবে এসব প্রকল্প যানজট নিরসনে কোন কাজেই আসেনি। টাইমার কাউন্টডাউন যন্ত্র বসানোর এক বছর পরে গত শুক্রবার থেকে পদ্ধতিটি প্রয়োগ করা হলে ফলাফল হয় পুরো উল্টো। রোববার আর সোমবার যানজটে স্থবির হয়ে পরে পুরো ঢাকা। পরে উপায় না দেখে আবারো ফিরতে হয় ট্রাফিক পুলিশের হাত দেখানো পদ্ধতিতেই।