পুলিশের সদিচ্ছা থাকলে ধর্ষণকারীদের ধরা অসম্ভব নয়— গারো তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণধর্ষণের শিকার গারো তরুণীকে দেখতে গিয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচার করতে হবে।
এ সময় মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসির অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি।
গারো তরুণীটিকে গণধর্ষণের ঘটনাটি পরিকল্পিত- এমনটাই দাবি স্বজনদের। গণধর্ষণকারীদের একজন তুষার ঘটনার কয়েকদিন আগে তার কর্মস্থলে গিয়ে নানা তথ্য নিয়েছেন বলে তরুণীটি মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্ভাব্য সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মামলাটি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বেশ অগ্রগতি রয়েছে দাবি করা হলেও এখনো কেউই গ্রেপ্তার হয়নি। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে গণধর্ষণের শিকার তরুণীটি। শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠলেও মানসিক ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ডা. বিলকিস বেগম।
নারীর নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, মানবাধিকার নেত্রী এলিনা খান।
এদিকে, চলন্ত মাইক্রোবাসে আদিবাসী তরুণী ধর্ষণের প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন।
প্রসঙ্গত: গত বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে চলন্ত মাইক্রোবাসে পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হন ওই আদিবাসী তরুণী। প্রতিবাদে আজ রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন