মানবপাচারের মামলার বিচারের জন্য বিভাগীয় শহরগুলোতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হচ্ছে— এজন্য প্রয়োজনীয় জনবল চেয়ে জনপ্রশাসন ও অর্থ চেয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার রাজধানীতে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে— বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের আগ পর্যন্ত মানবপাচারের সব মামলার বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি মনে করছেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার হলে মানবপাচার সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতা বহুলাংশে কমবে।
সম্প্রতি থাইল্যাণ্ড ও মালয়েশিয়া সীমান্তের গহীন অরণ্যের গণকবর থেকে যেসব মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে সেগুলো মানবপাচারের শিকার হওয়া রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের বলেই সবার ধারনা।
চলতি বছরের প্রথম কয়েক মাসেই সাগরপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিশেষ করে মালয়েশিয়াগামী জলযানে মানবপাচারের শিকার হয়েছেন প্রায় ২৫ হাজার লোক যাদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি।
মানব পাচারের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে যাওয়ায় পাচারকারীদের শাস্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
২০১৩ সালে প্রণয়ন করা মানবপাচার প্রতিরোধ আইন অনুসারে প্রাথমিকভাবে দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরে গঠিত হবে এই ট্রাইব্যুনাল।