আধুনিকায়নের মাধ্যমে কৌশলগত দিক থেকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে 'বাশার' ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর পরিবহন প্রশিক্ষণ বিমান অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
আকাশে অতন্দ্র প্রহরীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনগণের পাশে থাকাতে বিমান বাহিনীর প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
নিজেদের সামর্থ্য বাড়িয়ে বাংলাদেশ আগামীতে যুদ্ধ বিমান তৈরি করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নতুন পরিবহন প্রশিক্ষণ বিমানের অন্তর্ভূক্তি আদেশনামা বিমান বাহিনীকে তুলে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী দক্ষ এবং আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন। বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভবিষ্যতে দেশেই যুদ্ধবিমান তৈরিতে সরকারের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নিজেদের সুশিক্ষিত, পেশাদার ও দেশপ্রেমে উজ্জ্বীবিত করে সাহসী বাহিনী হিসেবে দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে দেশের সুনাম বাড়াবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বিমান বাহিনীর সাফল্যের কথা তুলে ধরে শিগগিরই হাইতিতে ১১০ সদস্যের একটি কন্টিনজেন্ট দায়িত্ব পালনে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো দুইটি এল-৪১০ পরিবহন প্রশিক্ষণ বিমান। চেক প্রজাতন্ত্র থেকে কেনা বিমান ২টির মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ পরিবহন বিমানের প্রশিক্ষণ নিতে সক্ষম হবে বৈমানিকরা।
অবতরণের সুবিধা থাকায় বিমানটির মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করাও সহজ হবে।
বুধবার সকালে রাজধানীর বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে এল-৪১০ পরিবহন প্রশিক্ষণ বিমানের অন্তর্ভূতি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র সালাম জানায়।