প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই দেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলছে। এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য বলে মনে করেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সভাপতি সৈয়দ শামসুল হক।
বুধবার রাজধানীর সেগুরবাগিচায় মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী ২৯মে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দেবে জাতীয় নাগরিক কমিটি বলেও সম্মেলনে জানানো হয়।
সৈয়দ শামসুল হক বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সত্যিকার অর্থেই এগিয়ে চলেছে, ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন তার বড় প্রমাণ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উন্নয়নের প্রতীক— উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, একমাত্র শেখ হাসিনাই পারেন দেশ ও জনগণের স্বার্থে নিজের জীবনকে বাজি রাখতে। দেশের সার্বিক অগ্রগতি বিবেচনা করে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান কমিটির সভাপতি।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।
সংবর্ধনা সফল করতে সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা করে ঢাকা মাহনগর আওয়ামী লীগ।
নগর সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জানান, এটি একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। অনুষ্ঠান সফল করতে নানা দিক নির্দেশনা দেন তিনি।
এসময় দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক বলেন, ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকে শেখ হাসিনার নানা রাজনৈতিক অর্জনে দেশের মানুষ গর্বিত।