মুক্তিযুদ্ধের পরে স্থল সীমান্ত চুক্তিকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দ্বিতীয় ভিত্তি হিসেবে মনে করছেন ভারত জনতা পার্টি-বিজেপির মুখপাত্র এম জে আকবর।
এমজে আকবর আরো বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্কের অন্যতম কারণ বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করে না।
তিনি বলেন, স্থলসীমান্ত চুক্তিকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি মাইলফলক।
আর শুধু তিস্তা নয় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অভিন্ন ৫২টি নদী নিয়েই অবিলম্বে ব্যাপকভাবে আলোচনা শুরু করা উচিৎ বলে মনে করেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী।
শিগগিরই দুদেশের মধ্যে অভিন্ন নদী নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ভোরের কাগজ এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তারা।
গোলটেবিল আলোচনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সেটিকে কাজে লাগিয়ে দুদেশের মধ্যে চলমান আরও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তৎপর হওয়া।
আলোচনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, দলমত নির্বিশেষে সকলেই মোদির এ সফরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।
বর্তমান সম্পর্কের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে আরও বেশ কিছু বিষয় উত্থাপন করা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ভারত বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে পুরো দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দারিদ্র দূরীকরনে তারা উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারবে।
এ সময় স্থলসীমান্ত চুক্তি সফল পরিণতি লাভ করায় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানান ছিটমহল থেকে আসা প্রতিনিধিরা।
স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুদেশের মধ্যে অমীমাংসিত অন্যান্য ইস্যু নিয়েও মোদির আসন্ন সফরে ফলপ্রসূ আলোচনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা।
দৈনিক ভোরের কাগজ এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন বাংলাদেশ সফর ও প্রত্যাশা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক।