বাল্যবিয়ে ঠেকাতে মেয়েদের বিয়ের বয়স আঠারো থেকে কমিয়ে ষোল এবং ছেলেদের বায়ের বয়স কমিয়ে একুশ থেকে আঠারো করাকে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ চিত্র: আইনি সংস্কার’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে জনসচেতনতাই আইন হিসেবে কাজ করবে— উল্লেখ করেমানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
বিদ্যমান বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ এবং ছেলেদের ২১— উল্লেখ করে ড. মিজান বলেন, এ থেকে কোনো ধরনের বিচ্যুতি কমিশনকে সরকারের বিপরীতে দাঁড় করাবে। প্রভাবশালীদের দৌরাত্বের কারণে বাল্যবিয়ে বেশি হচ্ছে বলেও মনে করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, আইন করে বাল্যবিবাহ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে জনসচেতনতাই আইন হিসেবে কাজ করবে, তবে সামাজিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ নির্ধারণ করা হলে তা হবে বাল্যবিবাহকে বৈধতা দেয়ারই শামিল বলেও জানান বক্তারা।