রাজনৈতিকভাবে তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার আদৌ কোনো সমাধান হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা।
সকালে রাজধানীর ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটিতে এক সেমিনারে এ সংশয় প্রকাশ করেন তারা।
তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা পেতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকেই নিতে হবে বলেও জানান তারা।
নদীগুলোর প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের আর্ন্তজাতিক জলধারা সনদ ১৯৯৭ অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণেরও পরামর্শ দেন বক্তরা। এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পের নামে নদী ধ্বংস করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটিতে তিস্তাসহ আন্তজার্তিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং অভ্যন্তরীণ নদী-জলাশয় জলাধার দখল-দূষণ রোধে করণীয়' শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে অসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট-এএলআরডি। দুটি প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন পানি বিশেষজ্ঞরা।
তিস্তার পানি পেতে সরকারের অদ্ভুত নিরবতা রয়েছে— উল্লেখ করে তিস্তার পানি বণ্টনে প্রয়োজনীয় সকল সিদ্ধান্ত সরকারকেই নিতে হবে বলে জানান পরিবেশ আইনবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
সেই সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার আদৌ কোনো সমাধান হবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
তিস্তাসহ অন্যান্য নদীগুলোর ঐতিহাসিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের আর্ন্তজাতিক জলধারা সনদ ১৯৯৭ এ স্বাক্ষর করা উচিৎ ছিল বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ।
উন্নয়ন প্রকল্পের নামে নদী ধ্বংস করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় নদী দখল-দূষণ রোধে নদী নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান বক্তারা।