চাল, ডাল, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও আগুন ঝড়ছে সবজির বাজারে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে শসা, বেগুন, ধনেপাতার দাম। এসব সবজীর দাম বেড়েছে দুই থেকে তিনগুণ।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম তাই দাম বেশী। তবে ক্রেতারা বলছেন, রমযানে প্রতিবারেই দাম বৃদ্ধির যে প্রবণতা দেখা যায় এবারও সেটিই কারণ।
বেগুনের দাম দুদিন আগেও ছিল ২০ থেকে ৪০ টাকা আর রোজা শুরু হওয়া মাত্র এ বেগুন বিক্রি হচ্ছে রকমভেদে ৬০ থেকে ১২০ টাকা। একই অবস্থা শসা আর ধনেপাতার ক্ষেত্রেও। রমজানের আগে যে শসা বিক্রি হয়েছে ২০ টাকা কেজি এখন তা ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ধনেপাতার দামও বেড়েছে প্রায় ৩গুণ।
বাজার ভেদে এ দাম আরও ওঠানামা করছে। পটল, কাচামরিচ, লেবুর দামও হয়েছে দ্বিগুণ। সরবরাহ কম-বিক্রেতাদের সেই একই সাফাই।
তবে ক্রেতারা সরবরাহ কমের অভিযোগ মানতে নারাজ। তারা বলছেন, রমজানে বিক্রেতাদের মধ্যে অধিক মুনাফা করার যে প্রবণতা দেখা যায়, সবজিবাজার অস্বাভাবিক হওয়ার সেটিই কারণ।
এছাড়াও চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু পন্যের দাম মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও মাছের বাজারও চলছে বিক্রেতাদের মর্জির উপর।
যদিও বিক্রেতারা বলছেন, দাম কমেছে আগের থেকে কিন্তু ভিন্নমত ক্রেতাদের।
পাইকারী বাজার থেকে খুচরা বাজারে প্রত্যেকটি জিনিসেরই দামের পার্থক্য অস্বাভাবিক। তবে এ বিষয়টি মনিটরিং করা যাদের দায়িত্ব বাজার ঘুরে খোঁজ পাওয়া যায়নি তাদের কারও।
মূল্য তালিকার বোর্ডটিরও দেখা গেছে বেহাল দশা। মূল্য বোঝার উপায় নেই এ তালিকায়।