বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং ভুটান এ চারদেশিয় মোটরযান চলাচল চুক্তি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নসহ আরো গবেষণার প্রয়োজন বলে মনে করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার সকালে রাজধানীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এ চুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন অবকাঠামো নির্মাণের ওপর জোর দিয়েছেন গবেষণা সংস্থাটির প্রতিনিধিরা।
দক্ষিণ এশিয়ার আন্তঃযোগাযোগ ও বাণিজ্য সুবিধা শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল-ভুটানের মধ্যে সম্পাদিত মোটরযান চলাচল চুক্তি বাংলাদেশের ব্যবসা-বিনিয়োগ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
এ চুক্তি বাণিজ্য, পরিবহন, বিনিয়োগ এবং জনগনের মধ্যে সম্পর্ক ও যোগাযোগ উন্নয়নের ক্ষেত্রে জরুরী বলে মত দেন তারা। সেক্ষেত্রে অবকাঠামো নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, ট্রানজিট মাশুল আদায়সহ বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন।
তবে এ চুক্তি বাস্তবায়নকে চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সংলাপে যোগ দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও চুক্তি বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বলেন, ট্রানজিট মাশুলের বিষয়গুলো নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ীই নির্ধারিত হবে। নিরাপত্তা, পরিবহন চলাচলের নিয়মও আইন ও আলোচনার মধ্য দিয়েই নির্ধারন হবে।
তবে চাইলে প্রতিবেশী অন্যান্য দেশও এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে শেষ হচ্ছে মেট্রোরেলের কাজ, এরইমধ্যে পদ্মাসেতু নির্মাণেরও ২০% কাজ শেষ হয়েছে। শিগগিরই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৬ লেনে উন্নীত করার হবে।
এ মাসেই ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক খুলে দেয়ার কথাও জানান ওবায়দুল কাদের।