মানবপাচার বন্ধে একসঙ্গে কাজ করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একমতে এসেছে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড।
সংশ্লিষ্ট পরস্পরকে দোষারোপ বাদ দিয়ে অভিবাসন প্রত্যাশীদের পুনর্বাসনে কাজ করবে তারা— এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোর তৎপরতাও আহ্বান তারা।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয় তুলে ধরেন দু'দেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল ও নোরাচিত।
সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় দু'দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠক শেষে দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন দু'দেশের পররাষ্ট্র সচিব।
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের ৬ হাজার ৯৯৮টি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার, বিসিআইএম ধাঁচে আসিয়ানের সঙ্গে করিডোর, উপকূলীয় জাহাজ চলাচল, প্রতিরক্ষা, পর্যটনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরেন।
মানবপাচার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে দু'দেশের পররাষ্ট্র সচিব দু'দেশের সমঝোতার বিষয়টি তুলে ধরেন।
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে থাই সচিব নিজ তার দেশের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।