মূসক অব্যাহতি সীমা ২৪ লাখ থেকে ৩০ লাখে বাড়িয়ে এবং কিছু নিত্যপণ্য ও ওষুধের ওপর মূসক অব্যাহতির ব্যবস্থা রেখে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুইয়া।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোর্ট ফি পরিশোধ ও জরিমানা হার ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজারে নির্ধারণ করে কোর্ট ফিসংশোধন আইন, ২০১৫ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মোশাররাফ হোসাইন আরো বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি আনতে অতি প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের ওপর থেকে সরবরাহ ও আমদানিতে মূসক প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে সরকার। এগুলো হচ্ছে সরিষার তেল, চিনি, আখের গুড় ও সার।
এছাড়া জীবন রক্ষাকারী কিছু সেবাতেও এ স্বস্তি পাওয়া যাবে— এগুলো হচ্ছে ইনসুলিকন ও ইনসুলিক এর লবণ, ক্যান্সার নিরোধক সরঞ্জাম, জন্মনিরোধক ইনসুলিন, ডায়ালাইসিসের সরঞ্জাম ও ফার্স্ট এইড বক্স বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, একইসঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য উৎসাহিত করতে মূসক অব্যাহতির আওতা বাড়ছে। ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত মূসক দেয়া লাগবে না, আগে এই পরিমাণ ছিল ২৪ লাখ।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার ও জরিমানা হার বাড়িয়ে কোর্ট ফি সংশোধন আইন-২০১৫ এর খসড়াও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ২০১৫ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন ও ক্যাডেট কলেজ সংশোধন আইন ২০১৫ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।