ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানী জুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিলেও, ছোট-বড় শপিংমলগুলোতে নেয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অপ্রতুল বলে মনে করছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি নিরাপত্তা জোরদারের। বছরের অন্যান্য সময় নিয়োজিত প্রহরীরাই, ঈদের এ কেনাকাটার সময় শপিংমলে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা অনেক শপিংমলেই নেই।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, কঠোর অবস্থানে রয়েছেন তারা। এদিকে, ঈদের আগে জাল নোটের ছড়াছড়ি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পাশাপাশি, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই বিনামূল্যে দোকানীদের জাল টাকা শনাক্তকারী মেশিন সরবরাহ করেছে।
প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসব এলেই কেনাকাটা বেড়ে যায়। বাজারে দেখা যায় বাজারে জাল নোটের ছড়াছড়ি। এতে ভীষণ বিপাকে পড়েন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। বরাবরের মতো জাল টাকা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে এ চক্রের হোতারা ধরা পড়ে না।
সরকারের পাশাপাশি এবার ঈদের আগে জাল টাকা সনাক্ত করতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ব্যবসায়ীদের মাঝে বিনামূল্যে জাল নোট সনাক্তকারী মেশিন বিতরণ করেছে।
এ পদক্ষেপ ব্যবসায়ীদের কাজে আসলেও, এতে জাল নোট প্রস্তুতকারী চক্রের দৌরাত্ম পুরোপুরি বন্ধ হবে কি-না সেব্যাপারে সংশয় রয়েই গেছে।
এদিকে, বড় বড় শপিংমলগুলোতে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতাদের নিরাপত্তায় পুলিশের বাড়তি ব্যবস্থা নেয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেকক্ষেত্রেই তা নেই। বছরের অন্য সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা নিজস্ব নিরাপত্তা প্রহরীরাই এই সময়টাতে নিরাপত্তা দেখভাল করছেন।
ঈদকে সামনে রেখে এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপ্রতুল বলে মনে করছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি নিরাপত্তা জোরদারের। অবশ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন তারা।