হাতেগোনা কয়েকটি লঞ্চের ক্যাবিনের টিকেট শেষ হলেও বেশিরভাগই অবিক্রিত রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, কয়েকটি লঞ্চের টিকেট বরিশাল থেকে বিক্রি হওয়ায় বিভ্রান্তির কারণেই সদরঘাট থেকে অন্যান্য লঞ্চের ঈদের আগাম টিকেট কিনতে আসছেন না যাত্রীরা।
এদিকে, রাজধানী থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের জন্য ঈদের আগের তিন দিন অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাস কর্তৃপক্ষ। তবে সেজন্য বাস কাউন্টারগুলো অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তারা।
সারাদেশে লঞ্চের রয়েছে মোট ৪১টি রুট। আর এ রুটগুলোতে চলাচল করে প্রায় ১৫০টি লঞ্চ। বেশি দূরত্বের লঞ্চগুলোর ঈদের সময় ক্যাবিনের চাহিদা থাকে প্রচুর। তাই ঈদের আগে যাত্রীদের জন্য ক্যাবিনের টিকেট আগেই বিক্রি করা হয়।
প্রতিদিন যাতায়াতের তুলনায় ঈদের সময় যাত্রীর চাপ থাকে প্রায় চারগুণ। তাই সব রুটেই রোটেশন প্রথা তুলে নেয়া হয়েছে। রোটেশন প্রথা তুলে নেয়ায় বেশির ভাগ রুটেই এবার থাকছে দুইয়ের অধিক লঞ্চ। তাই যাত্রীরা নিশ্চিন্তে তাদের কাঙ্খিত ক্যাবিনের টিকেট পাবেন বলে জানিয়েছেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, যারা সদরঘাটে এসেছেন তারা নির্বিঘ্নে টিকেট পেয়েছে। আর নেই কোনো অভিযোগও। তবে বিভিন্ন স্থান থেকে লঞ্চের আগাম টিকেট ছাড়ায় একটু বিভ্রান্তিতে রয়েছেন যাত্রীরা।
এদিকে, বাসের টিকেট শেষ হয়ে গেলেও ঈদের আগের তিন দিন অতিরিক্ত ট্রিপ দেয়া হবে। ঘরমুখো নগরবাসীকে তাদের আপনজনদের কাছে পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বাস কর্তৃপক্ষ।