আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী-এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে । তিনি এখন দপ্তরবিহীন মন্ত্রী। তার স্থানে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে গুজব উঠেছিল। তবে আজ তা আর গুজব নেই-- তিনি এখন থেকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী পরিণত হয়েছেন।
এদিকে, গত মঙ্গলবার একনেক সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ৬ হাজার ৭৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ উপস্থিত হননি।
একনেক সভাশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আরো প্রায় আধাঘণ্টা সভাকক্ষে বসে থাকতে দেখা গেছে।
বর্তমান সরকারের ২য় মেয়াদেও সৈয়দ আশরাফ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিলেন।
বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
দায়িত্ব পালনে আশরাফের সফলতার মধ্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল পরে মুক্তি পেলেও দায়িত্বে আর ফিরতে পারেননি। পরে ২০০৯ সালে কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আশরাফ।
তার আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার সরকারে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আশরাফ। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনা পুনরায় সরকার গঠন করলে একই দায়িত্বই তাকে দেন শেখ হাসিনা।
কিশোরগঞ্জের সংসদ সদস্য আশরাফ ছাত্রজীবনে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জেলখানায় সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর লন্ডনে চলে যান আশরাফ। সেখানে আওয়ামী লীগে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনার ওই সরকারে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হন আশরাফ।
১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিটি সংসদ নির্বাচনেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন তিনি।