বিভাগীয় ব্যবস্থার আগে সরকারি চাকরিবিদদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার বিধান রেখে সরকারি কর্মচারি আইন-২০১৫ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
আইনটি পাস হলে প্রশাসনে জবাবদিহিতা বাড়বে এবং প্রশাসন পরিচালনা আরো সহজ হবে বলে মনে করছে সরকার বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুইয়া।
একই সঙ্গে "পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অধ্যাদেশ" এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা— এ আইনের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় একটি কোম্পানী গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, এছাড়া আর্মি আইন এবং এয়ারফোর্স আইন দুটির সংশোধনী খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এদিকে, দপ্তর হারানোর পর অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দেননি এলজিআরডি সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের জন্য আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা থাকলেও দীর্ঘ দিন ধরে বিধি, নীতিমালা ও প্রয়োজন মতো নির্দেশনাপত্র জারি করে সরকারি কর্মচারিদের পরিচালনা করা হয়ে আসছে। প্রশাসনের কর্মচারিদের একটি আইনী কাঠামোয় নিয়ে আসতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা " সরকারি কর্মচারি আইনের খসড়ায় অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা।
আইনের খসড়ায় সরকারি কর্মচারিদের জন্য একটি স্থায়ী বেতন কমিশন, জনসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কার এবং নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলির বিষয়গুলো অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। তবে অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিয়ে কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।