ভূমিহীনদের উচ্ছেদ নয় বরং ভূমিদস্যুদের কবল থেকে ভূমি উদ্ধার করা রাষ্ট্রের কাজ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। রোববার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে চা-জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক আয়োজিত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
এসময় চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের নামমাত্র পারিশ্রমিক, বসতভিটা থেকে উচ্ছদসহ নানাভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে— উল্লেখ করে এসব এলাকায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ডা. মিজান।
চা শ্রমিকদের ওপর অন্যায়-অবিচার বন্ধের আহ্বান জানান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।
চা বাগানসহ আবাদি ভূমি দখল করে শিল্প প্রতিষ্ঠার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে— তা বন্ধেরও আহ্বান জানান তিনি।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় অংশ আসে চা-বাগান থেকে। প্রতিবছর প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার চা উৎপাদন হয় ১৬৪টি বাগানে। এর মধ্য প্রায় ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব পায় সরকার। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৪ লাখ শ্রমিক। যার বেশিরভাগই মহিলা। চা বাগানের নামমাত্র মজুরিই একমাত্র আয় এসব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের।
হবিগঞ্জের চাঁন্দপুরে ৫১১ একর আবাদি জমিতে ইপিজেড তৈরির পরিকল্পনা সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে মনে করেন চা শ্রমিকরা। দেশের অন্যতম খাত চা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।