মাগুরায় মায়ের গর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশুটির অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনও আশঙ্কামুক্ত নয়। রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান শিশুটির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক আবিদ হোসাইন মোল্লা।
এই হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের অধীনে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি গাইনী বিভাগে চলছে শিশুটির মা নাজমা বেগমের চিকিৎসা।
পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় শুরু হয়েছে বেঁচে থাকার যুদ্ধ। বুলেটবিদ্ধ দেহ নিয়ে জন্ম নিতে হয়েছে সময়ের ছয় সপ্তাহ আগেই।
গত মঙ্গলবার সফল অস্ত্রোপচারের পর অবস্থা উন্নতির দিকেই ছিল নাজমা বেগমের মেয়ের। তবে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয় শিশুটিকে।
অসময়ে ওজন কম নিয়ে জন্ম নেয়াতে এমনিতেই সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তারপর বুলেটের ক্ষত সে ঝুঁকি বাড়িয়েছে আরো কয়েকগুণ- জানালেন কর্তব্যরত চিকিৎসক আবিদ হোসাইন মোল্লা।
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ায় যুবলীগের দুই গ্রুপের সমর্থকদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন অন্ত:সত্ত্বা নাজমা বেগম। ওই রাতেই মাগুরায় অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে নাজমার গুলিবিদ্ধ শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। এর দুই দিন পর ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয় মা ও মেয়েকে।