প্রশ্ন প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের একাংশ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তি ও কিছু অসাধু কোচিং ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
বুধবার সকালে ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবি কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
পিইসি, জেএসসি, জেডিসি, এইসএসসি এবং এইচএসসি পর্যায়ে গবেষণা চালায় টিআইবি। পরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে যথযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ ধরনের ঘটনা বেড়ে চলেছে বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, একই শিক্ষকের প্রতি বছরই প্রশ্ন প্রণেতা, মডারেশনকারী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায়, তাদের একাংশ প্রশ্নপত্র প্রণয়নকে পুঁজি করে স্কুল ও কোচিংয়ে অর্থের বিনিময়ে সাজেশন আকারে প্রশ্ন ফাঁস করা সুযোগ পেয়ে থাকেন।
গত চার বছরে এমন ৬৩টি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২০১৩-১৪ সালে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে।
ভবিষ্যতে প্রশানপত্র ফাঁস ঠেকাতে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অপরাধ আইনের সংশোধন করে শাস্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে টিআইবি।
একইসঙ্গে শিক্ষার মান উন্নয়ন, কোচিং সেন্টার বন্ধ নীতিমালার সীমাবদ্ধতা দূর করে সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।