বাঙালি কেউ তাকে মারতে পারে, বঙ্গবন্ধু কখনোই এটি বিশ্বাস করতেন না—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নিবেদিত প্রাণ সংগঠক, খেলোয়াড় আর সমর্থক গোষ্ঠি ছিল বলেই ৭৫'র এর পর আবাহনী টিকে ছিল।
বুধবার বিকেলে আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা, বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আবাহনী মাঠে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর বাঙ্গালি জাতি বিশ্বের কাছে হেয় হয়েছিল, বাঙালির সব অর্জন ধুলায় লুটিয়ে গিয়েছিল, বিজয়ী জাতি বিশ্বের বুকে ঘাতক জাতিতে পরিণত হয়েছিল— বলে জানালেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের ক্রীড়া জগতে আধুনিকতার বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন শেখ কামাল।
তিনি আরো বলেন, তবে সব ক্ষেত্রে বাঙালি জাতি এগিয়ে যেতে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দেশ স্বাধীনের পর থেকেই তরুণদের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছিলেন শেখ কামাল। আমাদের সরকারও সে লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় শেখ কামাল বয়সভিত্তিক একাডেমির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবলার মামুন, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, হকি খেলোয়াড় অসীম গোপ, সংগঠক হিসেবে নাজমুল হাসান পাপন ও আবাহনীর সাবেক সভাপতি মরহুম শামসুল ইসলাম খান এবং পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজী আনিস আহমেদকে শেখ কামাল স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।