বেড়েছে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা, প্রতি বছর দুর্ঘটনায়ই শুধু শিশুই মারা যায় সাড়ে ৩০০ জন। সব মিলিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বছরে আড়াই হাজারেরও বেশি। সড়ক দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পেছনে শুধু বাসচালকাই নয়, সমানভাবে দায়ী পথচারী, বাস মালিক, দায়িত্ব সম্পর্কে অসচেতন ট্রাফিক ও সকল পর্যায় আইন না মানার প্রবণতা।
বুয়েটের দুর্ঘটনা রির্সাচ ইনস্টিটিউটের ‘শিশুদের নিরাপদে সড়ক চলাচল নিশ্চিত করন’ বিষয়ক কর্মশালায় বৃহস্পতিবার উঠে আসে এসব তথ্য।
তবে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমেছে দাবি করে পরিবহন নেতা নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমেছে। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ভুল তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগের তাগিদ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের ওপর গুরুত্ব দিলেন শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান (এন আই খান)।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভারের ঢালে গাড়ির ধাক্কায় মারা যায় ১০ বছরের এক শিশু। ১০ এপ্রিল কদমতলীর মাতুয়াইলে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মায়ের সঙ্গে মারা যায় ৪ বছরের আরেক শিশু। বুয়েটের এক গবেষণায় দেখা যায় এমনিভাবে প্রতিবছর শুধু সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় প্রায় সাড়ে ৩০০ শিশু। বছরে মোট মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৬৩৮ জন।
এর জন্য গবেষণা ইন্সটিটিউটটি দায়ি করছে পথচারীদের অসেতনতা, বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও সড়ক ব্যবস্থাপনার অভাবকে।