প্রতারণা ও জালিয়াতির বেসরকারি মামলাগুলো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের ধারা থেকে বাদ দিয়ে দুদক সংশোধন আইন-২০১৫ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপত্বিতে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি সম্পত্তি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনকালে প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত বিষয় এ আইনের আওতায় পড়বে।
তদন্তাধীন ও বিচারাধীন মামলাগুলো প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে, ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনায় শোক ও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলাগুলো বর্তমানে দুদক আইনের আওতাধীন বলে এসব মামলা পুলিশ আমলে নিতে চায় না। ফলে এ ধরনের মামলার সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে যাওয়ায় তা নিষ্পত্তিতে হিমশিম খাচ্ছে দুদক।
তাই দুদক আইন সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার, ফলে প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত বেসরকারি মামলাগুলো দুদকের এখতিয়ারে আর থাকছে না। মামলার তদন্ত করবে পুলিশ, আর বিচার হবে বিশেষ জজ আদালতের পরিবর্তে বিচারিক আদালতে।
এছাড়া, কানাডার সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন চুক্তির খসড়া এবং জাতীয় পুষ্টিনীতি-২০১৫'র খসড়ায় অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।