বনদস্যুদের বাঘ হত্যার কারণে সুন্দরবনে ক্রমেই কমে আসছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা। সর্বশেষ গণনায় সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ১০৬টি বাঘের সন্ধান মিলেছে।
বাঘের অস্তিত্ব রক্ষায় বনবিভাগের পাশাপাশি অভিযানে নেমেছে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এ অভিযানে রোববার পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৬ বনদস্যু নিহত হয়েছে।
খুলনার উপকূলীয় পাঁচ জেলার প্রায় ৬ হাজার বর্গকিলোমিটার জুড়ে রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন।
বনবিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বনে বনদস্যু ও জলদস্যুদের ৩৫ থেকে ৪০টি চক্র রয়েছে। নিরাপদে চলাফেরা ও আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য তারা প্রতিনিয়ত রয়েল বেঙ্গল টাইগার হত্যা করে এর চামড়া, হাড়গোড় বিক্রি ও পাচার করে আসছে। এতে বিলুপ্তির হুমকির মুখে সুন্দরবনের বাঘ। বনবিভাগের হিসেব অনুযায়ী, ২০০৪ সালে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ৪৪০টি, ২০১৫ সালে এ সংখ্যা কমে দাড়ায় ১০৬টিতে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে বনবিভাগের পাশাপাশি অভিযানে নেমেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৬ বনদস্যু নিহত হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৩টি বাঘের চামড়াসহ দেশি- বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।