রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কাজের সমন্বয় ঘটাতে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা জরুরি বলেও মনে করছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া পূর্নগণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আদৌ সম্ভব নয় বলেও জানান তারা।
মঙ্গলবার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘পূর্ণ গণতন্ত্রের জন্য ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য’ শীর্ষক আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তারা এ আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে নজর না দিয়ে সব সরকারই যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনকে প্রাধান্য দিয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগের ব্যাপারে আইন করার কথা থাকলেও আদৌ তা সম্ভব হয়নি।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রিয়াশীল করতে না পারলে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য কখনোই আসবে না। আর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নেয়ার আহ্বান জানান আলোচকরা।
বক্তারা আরো বলেন, রাষ্ট্রপতির পদটি এখন অনেকাংশে অপ্রোজনীয় হয়ে পড়েছে। ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে অর্ধেক ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের হাতে ন্যস্ত করার পরামর্শ দেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সংশোধনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, তহবিল সংগ্রহ ও আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষার বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানান তারা।