রাজধানীর বাড্ডায় বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান গামাও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার সকালে তিনি মারা যান। এ নিয়ে একই ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল রাতে বাড্ডার আদর্শনগর পানির পাম্প এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ঢাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামসু মোল্লা ও উত্তর বাড্ডার হাফ জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ফিরোজ আহমেদ ওরফে মানিক (৪০)। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ২ জন।
এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ওরফে গামাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া পিঠে গুলিবিদ্ধ আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি নিজেকে স্থানীয় যুবলীগ নেতা বলে দাবি করেছেন।
বাড্ডা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মধ্য বাড্ডা এলাকায় আল-সামী হাসপাতালের সামনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সামছু মোল্লাসহ বেশ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে তারা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সামছু মোল্লাসহ যুবলীগ নেতা গামা ও মানিককে গুলশানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে শামছু ও মানিক মারা যান।