বাঙালি জাতির সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক দিন ১৫ আগস্ট। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের এদিন কতিপয় রাজনৈতিক কুচক্রীর যোগসাঁজসে, সেনাবাহিনীতে ঘাপটি মেরে থাকা একটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী হত্যা করে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
শনিবার দিনটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধী ও প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াও নেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক কর্মসূচি।
এদিন নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে। রক্তে ভেসে যায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি। সেদিন দেশে না থাকায় প্রাণে বঁচে যান বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহেনা।
সেময় বাংলাদেশে নেমে আসে এক বিভীষিকা, শুরু হয় এক অ-সাংবিধানিক স্বৈরশাসন।
শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জনাবেন এবং সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। জাতির পিতার পরিবাররের সদস্য ও অন্যান্য শহীদদের রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সকাল সাড়ে সাতটায় এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে সকাল ১০ টায় শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী।
বাদ আছর বঙ্গবন্ধু ভবনে মহিলা আওয়ামী লীগের মিলাদ মাহফিলে অংশ নিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও দিনটি স্মরণে আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।