আগামী ২০১৮ সালের মধ্যেই রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সরকারি -বেসরকারি অংশীদারিত্বের এ বৃহৎ প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে ঢাকার যানজট অনেকাংশই দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রোববার কাওলা এলাকায় এই উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকার যানজট কমাতে আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ করা হবে।
দুই দফা পেছানোর পর অবশেষে শুরু হলো রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ। ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারিতে রাজধানীতে উড়াল সড়ক বা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তৈরির জন্য থাইল্যান্ডের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ইতাল-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। একই বছরের এপ্রিলে ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়।
সে চুক্তি অনুযায়ি ছয় মাসের মধ্যে কাজ শুরু করার কথাও ছিল ইতাল-থাইয়ের। তবে নকশা পরিবর্তন ও মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করে সেতু বিভাগ।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের বৃহৎ এ উড়াল সড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, মহাখালী, তেজগাঁও হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত উড়াল সড়কটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ২০ কিলোমিটার। তবে ৩১টি র্যা ম্প ও সংযোগ সড়কসহ এর মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। এর ৭০% বহন করবে ইতাল-থাই এবং বাকি ৩০ ভাগ টাকা দিবে সরকার।