যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন এলাকায় নির্মিত সেতুসমূহ মানুষের যাতায়াতকে আরো সহজ করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ছয় জেলায় ৯টি সেতু উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ জামাল, শেখ কামাল এবং শেখ রাসেল সেতুর উদ্বোধন করে বলেন, এ তিনটি সেতু নির্মানের ফলে পটুয়াখালী-কুয়াকাটায় অবহেলিত জনপদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে।
বর্তমান বিজ্ঞান-প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকতে পারে না— উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাই ডিজিটাল দেশ করার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এসব সেতু সারাদেশে সড়কপথের নেটওয়ার্ক তৈরি করবে বলেও জানান তিনি প্রধানমন্ত্রী।
পটুয়াখালী থেকে ৭২ কিলোমিটার দূরত্বের সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় যেতে এলাকাবাসীকে আন্ধারমানিক, সোনাতলা এবং খাপড়াভাঙা নদী পার হতে হয়। ফেরি বা ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন এসব এলাকার মানুষ। সড়ক পথের দুরাবস্থার কারণে কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যাও বাড়ছে না। দক্ষিণের এ এলাকার উন্নয়ন এবং পর্যটন শিল্পকে আরো ত্বরানিত্ব করতে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী তিনটি নদীতে সেতু নির্মানের ঘোষণা দেন।
অন্যান্য সেতুগুলোর মধ্যে শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সপ্তম বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতুটির নামকরন করা হয়েছে ‘আচমত আলী খান’ সেতু নামে। এটি ২০১৬ সালে নির্মাণ শেষ হবে।
এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ চন্দরপুর-বিয়ানীবাজার সড়কে ‘চন্দরপুর’ সেতু, চকোরিয়া-বদরপুর সড়কে মাতামুহুরী নদীর ওপর ‘বাটাখালী’ সেতু, গাইবান্ধায় ‘বড়দহ’ সেতু এবং সিলেটের সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর ওপরে নির্মিত ‘আব্দুজ জহুর’ সেতুর উদ্বোধন করা হয়।