তিন দিনের রিমান্ড একদিনে শেষ হওয়া এবং জামিন পাওয়ার নেপথ্যে কোন বিষয়টি কাজ করেছে তা জানেন না সাংবাদিক প্রবীর সিকদার। তবে এ নিয়ে তার স্ত্রী বা পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের ঊচ্চ পর্যায়ে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বলে জানান তিনি।
প্রবীর সিকদার বলেন, জামিন কিভাবে হয়েছে তা জানি না এবং পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কোন মন্ত্রী বা ঊচ্চ পর্যায়ের কারো সঙ্গেও যোগযোগ করা হয়নি।
তবে জামিন পেলেও নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারছেন না তিনি।
সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে ৩ দিনের রিমান্ড না দিয়ে প্রথম দিনই জামিন দেয়া উচিত ছিল— উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ভুল করে সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে রিমান্ড দেয়া হয়েছে।
এদিকে, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর শেরে বাংলানগর থানা পুলিশের সাধারণ ডাইরি না নেয়ার বিষয় নিয়ে পুলিশ কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি। আর হাতকড়া পরিয়ে আইনলঙ্ঘনকারী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তারা।
উল্লেখ্য, ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় গত সোমবার গ্রেপ্তার দেখানো হয় সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে। মঙ্গলবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে ৩ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। তবে রিমান্ডের প্রথম দিন বুধবারই তাকে জামিনে মুক্তি দেয় আদালত।